• বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:০৮ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]

প্রায় ১২ হাজার হেক্টর জমিতে ভূট্টা চাষাবাদে লক্ষ্যমাত্রা

এম এ জলিল শাহ, কাহারোল (দিনাজপুর) প্রতিনিধি / ১২ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

দিনাজপুরের কাহারোলে ভুট্টা চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১১ হাজার ৬২০ হেক্টর জমিতে। কাহারোল উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে এবার ভুট্টা চাষে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ ও এ বছর ভুট্টার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছেন ভুট্টা চাষীরা। তবে শীতের প্রকোপ কম থাকায় সঠিক সময়ে বৃষ্টি রোদের প্রখরতা না থাকায় ভুট্টার ফলন ভালো হওয়ার আশা করছেন কৃষকরা।

আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় এবছর ভুট্টা চাষে ঝুঁকে পড়েছেন উপজেলার অধিকাংশ কৃষকরা। এবার ভুট্টার বাম্পার ফলনে আশাবাদী তারা। আবহাওয়া অনুকুলে ও আধুনিক কৃষি প্রযুক্তিতে আগ্রহ সৃষ্টি হওয়ায় সল্প খরচে যথাসময়ে কৃষকেরা এবছর ভুট্টার বাম্পার ফলন পাবেন বলে আশা করছেন কৃষকরা। ভুট্টা চাষাবাদের খরচ কম অথচ ফলন ও দাম বেশী পাওয়ায় গত বছরের মত এবছরও ভুট্টা চাষে কৃষকেরা আগ্রহ দেখাচ্ছেন। গত বছর বাজারে ভুট্টার দাম বেশী পাওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় কৃষকরা ভুট্টা চাষ বেশী হয়েছে। তবে গতবছরের চেয়ে এবছর কিছুটা কম ভুট্টা চাষাবাদ করা হয়েছে। ভুট্টা চাষাবাদের মাধ্যমে পাল্টে যাচ্ছে এই উপজেলার মানুষের জীবন যাত্রার মান।

উপজেলা কৃষিবিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ১১ হাজার ৬২০ হেক্টর জমিতে ভুট্টা চাষাবাদে লক্ষ্যমাত্র নির্ধারণ করা হয়েছে। আলু উত্তোলনের পর লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে কৃষি বিভাগ আশা করছেন। গত বছর প্রতি হেক্টর জমিতে উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ লক্ষ ৩৯ হাজার ৪৪০ মেট্রিক টন ভুট্টা।

উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের কাজি কাটনা গ্রামের কৃষক মোঃ ইয়াছিন আলী জানান, আমাদের এখানে ধানের চাষ বেশী । তবে ভুট্টা চাষাবাদে লাভজনক হওয়ায় এবছর নতুন করে ভুট্টা চাষ শুরু করেছি।

একই এলাকার আরেক কৃষক মোঃ হযরত আলী বলেন, ভুট্টা চাষাবাদ করে কৃষকরা লাভবান হয়, তাই ভুট্টা চাষাবাদের আগ্রহ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে এই উপজেলায়। এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ধান চাষে খরচ বেশী লাভ কম হওয়ায় আমরা ভুট্টা চাষাবাদে আগ্রহ হয়েছি। তবে, সার, কীটনাশকের মুল্য যদি সহনীয় পর্যায়ে থাকতো তাহলে লাভ আরও বেশী হতো।

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ জাহিদুর রহমান জানান, ভূট্টা সহ নানা ধরনের ফসল উৎপাদনে আমরা কৃষকদের আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করছি। কৃষকেরা যেন সহজে কৃষি উপকরণ পায় সেই জন্য বীজ, সার, কীটনাশক ও জ্বালানি তেলের জন্য স্বার্বক্ষনিক মনিটরিং করে আসছি। এবছর বাম্পার ফলনের সম্ভবনা রয়েছে ভূট্টার। উপজেলায় ভূট্টা চাষাবাদের মাধ্যমে কৃষকরা কৃষিতে বিপ্লব ঘটানোর চেষ্টা করছে।

Facebook Comments Box


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd
error: Content is protected !!