
দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলায় আবহাওয়া অনুকূলে আর সার সংকট না হওয়ায় পাটের আবাদ ভালো হয়েছে। এবার পাটের বাম্পার ফলন ও বাজারে দাম ভালো হওয়ায় খুশি কাহারোল উপজেলার কৃষকেরা।
কৃষি বিভাগের সার্বিক সহযোগিতায় বোরো ধানের পাশাপাশি এবার পাটের আবাদও ভালো হয়েছে। তবে পানি সমস্যার
কারণে কিছু কিছু এলাকায় পাট জাগ দেয়া নিয়ে হিমশিমে পড়েছিল কৃষকেরা। বেশির ভাগ এলাকায় পাট কাটা জাগ দেওয়ার কাজ প্রায় শেষ। এরই মধ্যে বিভিন্ন গ্রামে পাটের আঁশ ছাড়ানো (পাট ধোয়া) ও শুকানো নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করেছেন কৃষাণ-কিষাণিরা। নতুন পাট বাজারে উঠতে শুরু করেছে। বিঘা প্রতি জমিতে ৮-৯ মণ পর্যন্ত পাটের ফলন হয়েছে। বর্তমান বাজারে কৃষকরা এক মণ পাট বিক্রি করছে ৪২০০ থেকে ৪৫০০ টাকা। তারগাঁও ইউনিয়নের
পাহাড়পুর গ্রামের পাটচাষী শ্রী সুভাষ চন্দ্র রায় ও রনজিৎ কুমার রায় বলেন ইরি-বোরো আবাদের পাশাপাশি কিছু জমিতে পাট চাষ করেছিলাম। যেমন ফলন ভালো পেয়েছি বাজারে দামও সন্তোষজনক। তাই এবারে পাট চাষে খুশি হয়েছি।
কাহারোল উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মল্লিকা রানী সেহানবীশ জানান, অন্য বছরের তুলনায় এ বছর যথাসময়ে খরা, ভালো বীজ, সার সংকট না থাকায় কাহারোলে পাটের আবাদ আশানুরুপ ভালো হয়েছে।
কাহারোল উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এবার ৩৭০ হেক্টর জমিতে পাটের লক্ষ্য মাত্রা ধরা হয়েছিল। আবাদ হয়েছিল যা গত বছরের তুলনায় একটু বেশি। তিনি আরও জানান, কৃষি বিভাগের পক্ষ হতে পাট চাষে কৃষকদের উদ্বদ্ধ করণসহ উপ সহকারি কৃষি কর্মকর্তারা প্রতিটি ব্লকে সরেজমিনে গিয়ে কৃষকদের পরামর্শ ও যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন। তাই প্রতি বছরের মত এবারেও কৃষকেরা কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌছাতে পেরেছে বলে কৃষি বিভাগ মনে করছেন।